Call: +88 (02) 9353633

   

 

প্রবীণ ও আমরা

ষাট ও তদূধ বয়োসীরাই “প্রবীণ” বা সিনিয়র সিটিজেন”। এ সুন্দর ভুবনে আমরা কেউ বৃদ্ধ হতে চাইনা মরতে ও চাইনা। কিন্তু ‘মৃত্যু’ ও ‘বাধক্য’ এড়ানোর সুযোগ না থাকায় মানুষের চেষ্টায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতন তার কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে মানুষের গড় আয়ু। প্রবীণদের  সেবা যত্নে মহিলারাই আগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু দেশে বতমানে কমজীবি মহিলাদের সংখ্যা প্রায় ৪০%। তাই প্রবীণদের সেবা যত্ন ব্যাহত হচ্ছে চরম ভাবে।

বতমানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ প্রবীণ। বাংলাদেশে ৭ শতাংশ প্রবীণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এরমতে, একুশ শতকের মাঝামাঝিতে বাংলাদেশের শিশু জনসংখ্যার তুলনায়, প্রবীণদের সংখ্যা বেশি হবে। তািই ‘বাধক্য’ হচ্ছে এ শতাব্দীর প্রধান সমস্যা। প্রবীণদের সমস্যা মূলত: স্বাস্থ্যগত, অথনৈতিক ও মানসিক। সমস্যাটি সবজনীন-ব্যক্তিতে, পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রে তথা গোটাবিশ্বে।

একবার ভেবে দেখুন তো বতমানে আমাদের মধ্যে যাদের বয়স ত্রিশ, চল্লিশ বা পঞ্চাশ তাদের বয়স যখন সওর বা পচাঁত্তর হবে তখন কোথায়, কীভাবে, কার সাথে বসবাস করবেন? শারীরিক, মানসিক, আবেগীয়, আর্থিক, পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে যখন অত্যন্ত নাজুক ও দুবল হয়ে পড়বেন, সে অবস্থা মোকাবেলা করার মতো পূর্বে প্রস্তুতি আছে কি না। দেশে মাত্র ৫/৬ টি স্বীকৃত প্রবীণ নিবাসে ১৫০০ প্রবীণের আবাসের ব্যবসা আছে। বিরাট সংখ্যক প্রবীণ বেঁচে আছেন ভিক্ষা বৃত্তিতে। তারা ঘুমান ঘরের বারান্দায়, মসজিদে, রাস্তায় এবং হাটে-বাজারে। শহরে আধুনিক এ্যাপাটমেন্টে গেস্টরুম, স্টোররুম, বেবিরুম এমনকি সার্ভেন্টরুম থাকলেও প্যারেন্টস রুমে নেই।

 প্রবীণদের সমস্যা মোকাবেলায় এখনই ভাবতে হবে এবং নিতে হবে নানা কাযক্রম। তাঁদের জন্য সকল হাসপাতালে মাসে অন্তত দু-একবার বিনামূল্যে/স্বল্পমূল্যে চেক-আপ ও ফিজিওথেরাপি সহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে  সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। তাঁদের প্রতি সম্মান, সেবা-যত্ন, পরিবারে খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য গণমানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মিডিয়া ও গণমাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মিডিয়া ও গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারনার ব্যবস্থা করতে হবে। যানবাহন ও সেবা প্রতিষ্ঠান সমূহে তাঁদের অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। জাতীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে বাধক্য বীমা চালু করা এবং বয়ষ্ক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। পাড়ায়-মহল্লায় বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করে তাঁদের অবাধ বিচরণের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও উন্নত দেশগুলোর ন্যায় আমাদের দেশেও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পযায়ে ছাত্রছাত্রীদেরকে প্রবীণদের সান্নিধ্যে শিক্ষা কমসূচি ও মাঠপযায়ে এসাইনমেন্ট প্রদান বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। স্নাতোকোত্তর পযায়ের বাধ্যক্য বিদ্যা বিষয়টিকে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ন্তভূত্তি করণ ও উপরোত্ত বিষয়ে প্রফেশনাল কর্মী তৈরী করে কমসংস্থান নিশ্চিত করা যেতে পারে, এতে করে প্রবীণদের উন্নয়ন ও হিতকর সংগঠন বেড়ে যাবে।

আমরা যদি সবাই মিলে আমাদের নিজস্ব মূল্যবোধ ও সামর্থে পারিবারিক ও সমাজ জীবনে প্রবীণদের মর্যাদা বৃদ্ধি, সেবাদান ও বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ বিণির্মাণ করি তবে আমাদের সকলের বাধক্য হবে স্বস্তি ও শান্তিময়।

-তাছলিমা সুলতানা

 

ডিমেনশিয়া কি ?

ডিমেনমিয়া একটি মস্তিষ্কের রোগ যা সাধারণত বয়সী লোকদের হয়ে থাকে। যদিও কম বয়সে যেমন ৩০, ৪০  বা ৫০ বয়সেও এ রোগ হতে পারে। এ রোগ হলে প্রথমে স্মৃতি শক্তিতে সমস্যা হয়। নিকট অতীতের কথা মনে করতে সমস্য হয় কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মনোযোগ এ অসুবিধা হয়। শেখার আগ্রহ, পরিকল্পনা, সমস্যার সমাধান করা সংগঠন, বিচার ক্ষমতা, ব্যক্তিত্বেও সমস্যা দেখা দেয়। দৈনন্দিন পরিচিত কাজগুলো করতে অসুবিধা হয়। একই কথা বারবার বলা, কথা বলতে বলতে থেমে যাওয়া এবং পুনরায় শুরু করতে অসুবিধা হয়। ঘনঘন জিনিস পত্র হারিয়ে ফেলা  এবং খুঁজে পেতে ব্যথ হওয়া, অন্যকে সন্দেহ করা, চুরির অপবাদ দেওয়া কাউকে না বলে বাড়ী থেকে বের হয়ে যাওয়া এবং বাড়ীর ফিরে আসার রাস্তা খুঁজে না পাওয়া। চুড়ান্ত পর্যায়ে রোগী দৈনন্দিন কাজের জন্য অন্যের সাহায্যের উপর নিভরশীল হয়ে পড়েন।

 

ডিমেনশিয়া রোগ নিরাময়/ প্রতিরোধের কোন ঔষধ আছে কি?

সংক্ষেপে বলতে গেলে ও এই রোগের নিরাময় কিংবা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে উল্ল্যেখযোগ্য কোন ঔষধ আবিস্কৃত হয়নি। কিছু কিছু ঔষধ চিকিৎসকেরা ব্যবহার করে থাকেন এই রোগের ক্রমাবনতি রোধ কল্পে। বতমানে যে সকল ঔষধ প্রয়োগ করা হয় তা প্রাথমিক থেকে মাঝামাঝি পযায়ের ডিমেনশিয়াতে রোগীর ক্রমাবনতি সাময়িক ভাবে বন্ধ করে। যেমন:

  • ড্রোনেপজিল (Donepezil)
  • হাইডো্রক্লোরাইড (Hgdroclonide)
  • রিভাসটিগমিন (Rivastigmeai)
  • গ্যালানটামিন (Galantamine)

বিজ্ঞানীরা দিনরাত গবেষনা কাযক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, অনেক ঔষধই টেস্ট এবং ট্রায়াল এবং বিভিন্ন পযায়ে আছে। মূল কথা মানুষের মস্কিষ্কে যে বিটা এমিলয়েড প্লাক জমে তা যদি প্রাথমিক পযায়ে বোর ক্রমে দূর করা যায় তাহলে আলঝাইমাস রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। অন্যথায় বলতে গেলে বিটা এমিলয়েডপ্লাক সৃষ্টি হয় GSK নামক Enzyme এর কারণে। বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে যদি কোন ঔষধ এর মাধ্যমে এই Enzyme টিকে প্রতিরোধ করা যায় তাহলে এই রোগেও প্রতিরোধ সম্ভব। এতে হয় তো বা দশ থেকে পনের বছর লেগে যেতে পারে। সূত্র : ইন্টারনেট

-      মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাস (অব:)

 

বাংলাদেশে ডিমেনশিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

বাংলাদেশের প্রবীণ নাগরিক বেশি আক্রান্ত হচ্ছে ‘ডিমেনশিয়া’ বা ‘মানসিক স্মৃতিভ্রম’ রোগে। দিনদিন রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আক্রান্তদের অস্বাভাবিক আচার-আচারণ, আবদার কিংবা খিটেখিটে মেজাজের জন্য পরিবারের সদস্যর মধ্যে অনেকে বিরক্তি হচ্ছেন তাদের ওপর।আখ্যা পাচ্ছেন ‘পাগল’হিসেবে। ফলে পরিবারে অবহেলার শিকার হচ্ছেন প্রবীণরা। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এ রোগ বা উপসর্গে আক্রান্ত হওয়ার প্রকৃত কোন কারণ এখনো আবিস্কার করতে পারেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এ রোগে আক্রান্তদের জন্য দরকার পরিবারের সব সদস্যের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা, সহানুভূতি ও সেবা। এক পরিষংখ্যানে দেখা যায়, দেশে ডিমেনশিয়া রোগীর সংখ্যা ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী দুই লাখ ৭৬ হাজার ৬৭৫ জনের বেশি। তবে ২০৫০ সালে এই সংখ্যা দাড়াঁতে পারে ১৭ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। চলতি মাসে সংস্থাটি ওই পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। পরিসংখ্যান মতে ২০১০ সালে সারা বিশ্বে ডিমেনশিয়া রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় তিনকোটি ৬০ লাখের বেশি। যা ২০৫০ সালে ৯০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

-শিল্পী আক্তার

 

পরিবার থেকে শিক্ষা : বয়স্কদের সাহায্য

একজন প্রবীণ লোক বৃদ্ধ বয়সে পরিবার থেকে স্নেহ, আদর, ভালবাসাই আশা করে ঠিক যেমনটি আদর, স্নেহ আমরা পরিবারের ছোট বাচ্চাটিকে করি। আসুন স্নেহময়ী হই প্রবীণ বা-মা দাদা-দাদী বা অন্য বয়স্কদের প্রতি এবং পরিবারের সকলকে উদ্ভুদ্ধ করি বয়স্কদের প্রতি সদাচারনের। সুখি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে নবীন প্রবীণদের ভেদাভেদ ভুলে একসাথে কাজ করি। মনে রাখবেন আজকের নবীনই আগামী দিনের প্রবীণ। একটু ভাবুন যে মানুষগুলোর অবিরাম প্রচেষ্টায় আপনি আমি নিজের পায়ে দারিয়েছি আজ তারা বৃদ্ধ বা সিনিয়র সিটিজেন। বৃদ্ধ বয়সে তাদের সু-স্বাস্থ্য বাসযোগ্য সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব নয় কি ?

 

মনে রাখবেন

  • অন্যান্য যে কোন রোগের মতোই ডিমেনশিয়া একটি রোগ মাত্র।
  • এ বিষয়যে জেনে নিন, ভাবুন এবং আলোচনা করুন।
  • ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির বা ব্যক্তি জীবনে পরিবতন কোন ক্রমেই স্বাভাবিক বয়োবৃদ্ধি জনিত নয়।
  • এটা ভ্রান্ত ধারণা/বিশ্বাসে যে, এ  রোগে আক্রান্ত হলে করার কিছুই নেই।

 

 

হারানো বিজ্ঞপ্তি !!!

বাসের গায়ে লাগানো পোস্টার কিংবা টেলিভিশনে দেয়া বিজ্ঞাপনে হয়তো দেখতে পারেন একটি নিখোঁজ সংবাদ যেখানে আনুমানিক ৭০ বৎসর বয়সী একজন লোক বাড়ী থেকে কাউকে না বলে হারিয়ে গেছে। এই বয়সে একজন লোক কেন নিখোঁজ হবেন ? হতে পারে তিনি আলজাইমাস্ বা ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত আগামীতে প্রতি ২০ বছর অন্তর এই সংখ্যা দ্বিগুন হতে থাকবে। এর প্রায় ৭০ ভাগ লোকের বসবাস উন্নয়নশীল দেশে! আসুন একটু সচেতন হই।

 

ডিমেনশিয়া কেন হয় ?

মস্তিষ্কে ব্রেইনসেল নষ্‌ট হয়ে গেলে ডিমেনশিয়া হয়। এই ধ্বংস মস্তিষ্কের বিভিন্ন ব্রেনসেলের একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ নষ্ট করে। যখন ব্রেনসেল স্বাভাবিক ভাবে যোগাযোগ করতে পারে, তখন চিন্তা, ব্যবহার এবং অনুভূতিতে সমস্যা হয়। মস্তিষ্কে সুনির্দিষ্ট ভাবে কিছু সেন্টার আছে যা বিভিন্ন কার্যাবলী যেমন-স্মৃতি, বিচার ক্ষমতা এবং নড়াচড়া, নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। কোন নিদির্ষ্ট সেন্টারে ব্রেইনসেল নষ্ট হলে সেই নির্দিষ্ট সেন্টারের নিয়ন্ত্রিত কার্যাবলী স্বাভাবিক ভাবে করতে পারেনা। ডিমেনশিয়া মস্তিষ্কে কোষের ভিতরে এবং বাহিরে নির্দিষ্ট কিছু প্রোটিন উচ্চমাত্রায় থাকে । যার কারণে ব্রেইনসেল গুলি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং এক অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনা। হিপ্লো ক্যাম্পাস, মস্তিষ্কে একটি এলাকা যা শেখা এবং স্মৃতির কেন্দ্র এবং এই এলাকার ব্রেইনসেল গুলি প্রথম নষ্ট হয়। এই কারণে ডিমেনশিয়া স্মৃতি লোপ পাওয়া একটি প্রাথমিক উপসগ হিসেবে দেখা দেয়।

মস্তিষ্কে ব্রেইনসেল নষ্ট হয়ে যাওয়া একটি স্থায়ী অবস্থা এবং সময়ের সাথে সাথে এটার অবনতি হয়। নিম্নের কারণ, চিন্তা এবং সমঋতি সমস্যার চিকিৎসা করলে উন্নতি হতে পারে।

  • বিষন্নতা
  • ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
  • অতি মাত্রায় মদ্যপান
  • থাইরয়েড সমস্যা
  • ভিটামিনের অভাব
  • ধুমপান
  • মস্তিষ্কে আঘাত

-ডা: শায়লা হোসেন

 

 

ডিমেনশিয়ার ১০ টি লক্ষণ

 

 

 

ডিমেনশিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির সেবায় ১২ টি গুরুত্বর্পূন টিপস

১. ব্যক্তি সম্পর্কে জানুন

২. হাসিমুখে কথা বলুন

৩. শান্ত থাকুন

৪. আপনার পরিচয় দিন

৫.সঠিক ভাবে বুঝিয়ে কথা বলুন

৬. ব্যক্তি যখন বিরক্ত বা আক্রমনাত্মক হবেন তাঁর থেকে দূরে থাকুন

৭. তাঁকে শান্ত রাখুন

৮. তর্ক করবেন না

৯. নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, সতক থাকুন

১০. কোজের  মধ্যে ব্যস্ত রাখুন

১১.তাঁকে অথপূণ কাজে নিয়োজিত করুন এবং অনুপ্রেরণা দিন

১২. তাঁকে আর কিভাবে সাহায্য করা যায় তা নিয়ে অন্যের সাথে কথা বলুন ।

-নাহিয়ান ফাইরোজ

বাংলাদেশের মানুষকে ডিমেনশিয়া রোগটির ভয়াবহতা এবং এটি সম্পর্কে সচেতন করতে স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশান, আলঝাইমাস্ সোসাইটি বাংলাদেশ, হেল্প্এইজ ইন্টারন্যাশনাল এবং বাংলাদেশ এজিং সাপোট ফোরাম নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছে। যেহেতু এ রোগটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ৬০ বা তার বেশি বয়ষ্ক লোকদেরই হয়ে থাকে তাই সমাজে সর্বোস্তরের মানুষের কাছে ডিমেনশিয়া/আলঝাইমাস রোগ কি, কি কারণে হয়ে থাকে, এ রোগ থেকে মুক্তির উপায় কি, এ বিষয়গুলো পৌছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরী। কেনন সচেনতাই পারে সমাজকে বদলে দিতে। বাংলাদেশ ১৬ কোটি মানুষের দেশ যেখানে মানুষের গড় আয়ুও বাড়ছে দিন দিন ।

-ক্ষিরোদ চন্দ্র দাস    

 

প্রাণ খুলে হাসুন

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সুস্থ থাকতে হাসির চেয়ে মহৌষধ আর নেই। হাসির উপকারিতা আমরা কম বেশি সবাই জানি । আসুন জেনে নেই প্রাণ খুলে হাসলে আমাদের শরীরের কী কী উপকার হয়-

* গবেষণায় দেখো গেছে, ব্যথা নাশক হিসেবে হাসির কোন বিকল্প নেই। মনে করনে আপনি কোনো এক কারণে মাংস পেশি বা জয়েন্টে আঘাত পেয়েছেন। ব্যথায় তীব্রতায় পিনি  আপনি অস্থির। সে সময়কারও কোনো এক দুষ্টামিতে আপনি নিজের অজান্তেই প্রাণ খুলে হাসতে থাকেন। দেখবেন হাসি থামার পর আপনার ব্যথার তীব্রতা অনেকটাই কমে গেছে।

* ওজন কমাতেও হাসির বিকল্পনেই। একবার চকোলেট খেলে আমাদের শরীরে ৫০ ক্যালরি জম হয়। কিন্তু ১০ থেকে ১৫ মিনিটের হাসির ফলে ৫০ ক্যালরি খরচ হয়। তাই শরীরে বাড়তি ওজন কমাতে ও প্রাণ খুলে হাসুন।

* যারা সব সময় হাসি খুশি থাকেন তারা খুব সহজেই অন্যের সঙ্গে সামাজিক সম্পক গড়ে তুলতে পারেন এবং অনেকে মানসিক রোগের আশঙ্কা মুক্ত থাকেন। হাসির যখন এতগুণ, তবে কেন আর গোমড়া মুখে বসে থাকবেন। তাই আসুন সুস্থ থাকতে আজ থেকেই আমরা নিজেরা হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করি এবং অন্যকে ও প্রাণ খুলে হাসতে সাহায্য করি।

-ডা: মহসিন কবির

 

 

 

 

 

 

Template Settings
Select color sample for all parameters
Orange Dark_Green Crimson Green_Yellow Indigo Maroon Medium_Violet_Red tomato
Background Color
Text Color
Select menu
Google Font
Body Font-size
Body Font-family
Direction
Background Color
Scroll to top