Call: +88 (02) 9353633

 

As a Consequence to survey project under awareness and research program Dementia Awareness Campaign in Bangladesh (DACB), Sir William beveridge Foundation (SWBF) arranged a health camp in Chondroban Academy, Fordnagar, Kulla Union, Dhamrai, Dhaka Zila at 14th December, 2014. About 489 Patients including senior citizens has been provided Free Consultency and Medication. Ageing Support Forum, Volunteers from Deffodil International University, Kulla Union Parishad, Volunteers from Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP), Local school students participated with SWBF team. In this successful completion, HOB of SWBF Maj. Gen. (Rtd.) Jibon Kanai Das, Psychiatrist Col. (Dr.) M Kumrul Hasan, DACB Medical Director Dr. Shahela Hossain, Chairman of Ageing Support Forum Md. Hasan Ali were present in the Health Camp. The Sponsor of Medication was K-Line Bangladesh (Ltd.), A Kawasaki-Chowdhury Group Venture).

 

-      A message for the youth

Our greatest vulnerability lies in our proclivity to believe we are different from the rest, that maybe the circumstances others are falling victim to won’t be able to harm us. This belief is a part of human nature. Human beings were created with superior intellect, allowing them to evade various forms of danger. And the worldwide domination of the ‘Homo Sapiens’ is a concrete proof to that theory as well.

But what happens when our most precious asset becomes useless? What happens when our instincts and senses betray us? We become helpless to emerging circumstances just like the rest of the animal kingdom. And that’s exactly what ‘Dementia’ can do to you.

There is a common myth that Dementia happens only to older people: that it happens to only the senile. Well the chances do increase under such conditions. But what we must note is that Dementia doesn’t follow rules. It can happen to anyone, of any age group, of any genetic lineage, regardless of his physical conditions. And it just gets worse from there. No cure, no remedies. It might even turn into a fatal disease like the Parkinson’s or the Alzheimer’s and we will remain helpless. Waiting to act after the symptoms begin to appear is a bad idea too, since according to leading physicians, the disease has already affected major portions of your body by then.

So what do you do? What do you do to prevent this from affecting you or any person you love? The answer is simple, awareness and care. Treat your mind like you should treat your body. Take good care of it. Eat a healthy diet, avoid smoking or alcohol. Drink loads of water. Exercise regularly. Develop reading habits. Keep your brain engaged. Pursue hobbies that make you happy. And if anyone around you shows the slightest signs of unusual behavior, Do Not neglect it. Take him/her to a doctor immediately. The proper attention can save a life. Since prevention is your cure against Dementia, ignorance will surely harm you. It’s your life, our responsibility. So make sure it’s a healthy one, a happy one.

-       Seeam Shahid Noor

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ডিমেনশিয়া নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

 

 

 

 

ডিমেনশিয়া নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

 বুধবার

 রাজধানীর ইস্কাটনে ডিমেনশিয়া বিষয়ক সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় এ আহ্বান জানানো হয়।

 সমকাল প্রতিবেদক ৩০ এপ্রিল ২০১৪

 Samakal Online ……

 বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ মানুষ আলঝেইমারস ডিজিজ বা ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন।২০৫০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা ১৭ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রস্ততি নেই বলেই চলে।

 বুধবার রাজধানীর ইস্কাটনে ডিমেনশিয়া বিষয়ক সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানিয়ে ডিমেনশিয়া রোগ সম্পর্কে সব শ্রেণির মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

কর্মশালায় আয়োজন করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশন।

কর্মশালায় বলা হয়, ডিমেনয়িশা মূলত বার্ধক্যজনিত রোগ। ডিমেনশিয়ার প্রাথমিক ও প্রধান লক্ষণ স্মৃতি হারিয়ে ফেলা। ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষ স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারেন না। বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করতে পারেন না, বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডিমেনশিয়া রোগী একপর্যায়ে পরিবারের ও বন্ধুদের নাম ভুলে যান, আপনজনদের চিনতে পারেন না, নিজের ঘর চিনতে পারেন না, হঠাৎ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং আর পথ চিনে বাড়ি ফিরতে পারেন না।

 আয়োজক সংগঠনের দেশীয় পরিচালক মেজর জেনারেল (অব:) জীবন কানাই দাস বলেন, গোটা বিশ্বে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাবাড়ছে। বাংলাদেশের মতো দেশগুলো এর ঝুঁকিতে রয়েছে। ডিমেনশিয়া আক্রান্ত রোগীর একমাত্র চিকিৎসা সমর্থন ও সহানুভূতি।

 কর্মশালায় আরো জনানো হয়, স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশন ঢাকা ও সিলেটে প্রশিক্ষিত সেবিকাদের মাধ্যমে ডিমেনশিয়া আক্রান্তদের বাড়ি গিয়ে সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

কর্মশালায় ডিমেনশিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সরকার ও সমাজের সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

 কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ডিমেনশিয়ার এখনও কোনো উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা বের হয়নি। এটি সাধারণত ডিমেনশিয়া নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান।৬০ বছরের বেশি মানুষের হয়ে থাকে। কিন্তু সব বয়ষ্ক মানুষের হয় না। এমনকি এ রোগ ৪০ বছরের কম বয়সী মানুষেরও হতে পারে।

 কর্মশালায় বক্তব্য দেন গবেষক গায়ানাত সরকার, স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশন এর বাংলাদেশ কার্যালয়ের মেডিকেল ডাইরেক্ট ডা: শাহেলা হোসেন, ডিমেনশিয়া হেড মো: রাশেদ সোহরাওয়ার্দী, ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট কডিনেটর স্বপন মজুমদার প্রমুখ।

 কর্মশালায় জানানো হয়, স্যার উইলিয়াস বেভারিজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির একটি অভিযান শুরু করেছে। যার মূল লক্ষ্য-হেলথ প্রফেশনাল, ক্লিনিশিয়ানস, কমিউনিটি ওয়ার্কার, সাধারণ জনগণকে ডিমেনশিয়া এবং ব্যক্তি ও সমাজে এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করে তোলা। 

 সংগ্রহে

 ক্ষিরোদ

 

মানসিক স্মৃতিভ্রম রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

 যায়দিন রিপোট , রোববার, মে ২৫           

 বাংলাদেশের প্রবীণ নাগরিক বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ‘ডিমেনশিয়া’ বা ‘মানসিক স্মৃতিভ্রম’ রোগে। দিন দিন রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আক্রান্তদের অস্বাভাবিক আচার-আচারণ, আবদার  কিংবা খিটখিটে   মেজাজের জন্য পরিবারের সদস্যের মধ্যে অনেক বিরক্তি হচ্ছেন তাদের ওপর। আখ্যা পাচ্ছেন-‘পাগল’ হিসেবে।ফলে পরিবারে অবহেলার শিকার হচ্ছেন প্রবীণরা। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এ রোগ বা উপসর্গে আক্রান্ত হওয়ার প্রকৃত কোনো কারণ এখনো আবিস্কার করতে পারেননি।তেবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন,  এ রোগে আক্রান্তদের জন্য দরকার পরিবারের সব সদস্যের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা,সহমর্মিতা, সহানুভূতি ও সেবা।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে কাজ করছে ২০০৮ সাল থেকে। এ সংস্থার এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশে ডিমেনশিয়া রোগীর সংখ্যা ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী দুই লাখ ৭৬হাজার ৬৭৫ জনের বেশি। তবে ২০৫০ সালে এই সংখ্যা দাড়াঁতে পারে ১৭ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। চলতি মাসে সংস্থাটি ওই পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। পরিসংখ্যান মতে, ২০১০ সালে সারাবিশ্বে ডিমেনশিয়া রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় তিন কোটি ৬ লাখের  বেশি। যা ২০৫০ সালে তা ৯০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশস্কা করা হচ্ছে।

যুক্তযাজ্যের অন্য এক প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় বলা হয় , ৪০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে প্রতি এক হাজার ৪০০ জনের মধ্যে একজন ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশষ্ক রয়েছে। ৬৫ থেকে ৬৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা প্রতি ১০০ জনে একজন, ৭০ থেকে ৭৪ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি ২৫ জনে একজন, ৭৫ থেকে ৭৯ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রতি ৬ জনে একজন এবং ৮০ বছরের বেশি যাদের বয়স, তাদের মধ্যে প্রতি চারজনে একজনের মধ্যে ডিমেনশিয়া দেখা দিতে পারে।

চিকিৎিসা বিজ্ঞানীরা ডিমেনশিয়া রোগে বা উপসর্গে আক্রান্ত হওয়ার প্রকৃত কোন কারণ আবিস্কার করতে না পারলেও কয়েকটি বিষয়কে তারা চিহিৃত করেন। তাদের মতে, আলজিমারস রোগে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ডিমেনশিয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তাছাড়া হান্টিংস রোগ, অ্যালকোহল বা ধূমপানজনিত রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়বেটিস, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, মাথায় দুর্ঘটনাজনিত আঘাত ও উত্তারাধিকার সূত্রে (জেনেটিকা) এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশষ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগী তিনটি পর্যায়ে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হন। প্রথম পর্যায়ে রোগীর উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে-উদাসীন ভাব, শখেরর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, তৎপরতা কমে যাওয়া, নতুন কিছু করতে আগ্রহ প্রকাশ না করা, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে না পারা, বিচার-বিবেচনাবোধ কমে যাওয়া, ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া, দৈনন্দিন কাজ করতে বেশি সময় নেয়া, নিকট অতীতের ঘটনা ভুলে যাওয়া, জিনিসপত্র হারিয়ে যাওয়ার কারণে অন্যদের দোষারোপ করা, খুব বেশি খিটমিটে হওয়া, একই কথা বার বার বলা আর অথ সংক্রান্ত হিসাব গুলিয়ে ফেলা ইত্যাদি।

ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত রোগী দ্বিতীয় বা মাঝামাঝি পর্যায়ে পরিবার ও বন্ধুদের নাম মনে রাখতে পারেন না। স্থান ও সময়ের ব্যাপারে বিভ্রান্ত থাকেন। নিজের ঘরও চিনতে পারেন না অনেক সময়। রাতের বেলায় রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন অনেকে। অনেক সময় হারিয়েও যান। একই কাজ বার বার করেন, অনেকে অপরিচ্ছন্ন থাকেন, খুব বেশি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, জিন-ভূতের ভয় পান, গায়েবি আওয়াজ মুনতে পান, নিজেকে আধ্যাত্মিক ব্যক্তি মনে করেন, সন্দেহপ্রবণ হয়ে অন্যকে শক্র মনে করেন এব কেউ কেউ হত্যা করার পরিকল্পনা করেন।

ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার চুড়ান্ত পর্যায়ে রোগী অন্যের কথাবার্তা বোঝার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। পরিবারের সদস্য, এমনকি মা-বাবা, ছেলে-মেয়েকেও চিনতে পারেন না। খাওয়া, গোসল ও টয়লেটের মত্যে নিত্যদিনের কাজগুলো অন্যের সাহায্য ছাড়া করতে পারেন না।

স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশন-বাংলাদেশের প্রধান পরিচালক মেজর জেনারেল (অব:) জীবন কানাই দাস বলেন, ডিমেনশিয়া কোন রোগ নয়। অনেক রোগের একটি উপসর্গ মাত্র। শুধু প্রবীণদের মধ্যেই এ রোগ আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, এমনটি নয়। যে কোনো বয়সেই এ রোগ আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা রয়েছে।

তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত ডিমেনশিয়ার প্রকৃত কারণ চিহিৃত হয়নি। এ রোগ থেকে সম্পূণভাবে আরোগ্য হওয়ার সম্ভবনাও নেই।এতে আক্রান্ত রোগীদের প্রতি যত্নবান হওয়া, তাদের একটু অতিরিক্ত দেখভাল করা, তাদের মনের মতো করে চলা, তাদের যে কোনো কথায় সমর্থন দেয়া ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

ডিমেনশিয়া অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন ইন বাংলাদেশের-এ মেডিকেল ডাইরেক্টর ডা: শাহেলা হোসেইন যায়যায়দিনকে জানান, ডিমেনশিয়া রোগ সম্পর্কে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, মেডিকেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, নবীন চিকিৎসকদের মধ্যে অনেকে জানেন না এ বিষয়ে তেমন গবেষণাও বাংলাদেশে হয়নি। ডিমেনশিয়া রোগীদের চিকিৎসকরা অনেক সময় ভুল করে মানসিক রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এতে ওই রোগী সামাজিক, মানসিক ও স্বাস্থ্যগতভাবে আরো দুর্বল হয়ে পড়েন।

সংগ্রহে

ক্ষিরোদ

 

What do you mean by “DEMENTIA”?

Dementia is not a specific disease but the general term for a progressive brain disorder that gradually destroy a person’s ability to carry out daily activities. “Dementia” the word derived from Latin word:

                       DE means   apart

                        MENTS  means  mind

So, Dementia means apart from mind. DEMENTIA the term used to describe the symptoms of a large group of illnesses which cause a progressive decline in a person’s cognitive function that gradually destroys memory, intellect, rationality, social skills and what would be considered normal emotional reaction.

Who are the Vulnerable groups?

Dementia can happen to anybody. Most of people with dementia are older. Though it’s not a normal part of aging hence it is more common after the age of 65 years. People in their 40sand 50s can also have Dementia.

What are the risk factors?

  • Age →Probability of the diseases associated with Dementia goes up significantly with advancing ages.
  • Genetics →  A number of genes are responsible for Dementia associated with Alzheimer’s disease that develop before the age of 65 years.
  • Smoking and Alcohol→ Smokers have higher risk of developing vascular disease which may be the underlying cause of Dementia.  Besides smoker itself significantly increases the risk of Dementia. Large amount of Alcohol also increases the risk of Dementia.
  • Atherosclerosis Interferes with the supply of blood to the Brain and can lead to stroke which in turn develops Vascular Dementia.
  • Cholesterol High level of low-density lipoprotein increases the risk of vascular Dementia.
  • Plasma Homocysteine Increase the higher Blood level of Homocysteine a  type of amino acid is a strong risk factor for the development of Alzheimer’s disease and vascular dementia.
  • Diabetes is the one of the risk factor of Dementia.
  • Mild cognitive impairment While not all people with this condition develop dementia ,they do have significant increase of dementia compared to the rest
  • of population.
  • Down syndrome By the time patient of Down syndrome reaches the middle age they develop characteristic’s Alzheimer’s disease plaques and neurofibrillary tangles . most of them develop dementia also.
  • Low Vitamin-D--  Now -a -days   researcher are found  that low vitamin -D blood level is one of the cause of Dementia.  

   

                                                                                                                                                                                                                                        contd..

Dr.Shahela Hossain

Medical Sirector

DACB

 

 

 

Bangla article: স্মৃতিভ্রম যখন ভালো হয়

ডিমেনশিয়া একটি মস্তিষ্কের রোগ। মস্তিষ্কের নিউরোন বা ব্রেইন সেল নষ্ট হয়ে গেলে এই রোগ হয়। এই রোগের সবচেয়ে বড় ফর্ম হল এ্যালজিমার্স ডিজিজ যা কি, না মোট ডিমেনশিয়া রোগের ৬০ থেকে ৮০ ভাগ। এ্যালজিমার্স ছাড়াও আরও কিছু ডিমেনশিয়ার প্রকার আছে যা সচারাচর পাওয়া যায় যেমন ভাসকুলার ডিমেনশিয়া, ডিমেনশিয়া উইথ লিউইবডি, মিক্সড ডিমেনশিয়া, পিকস্ ডিজিজ, পার্কিনসন ডিজিজ ইত্যাদি। এ্যালজিমার্স এর পর সাধারণত  এ সকল ডিমেনশিয়া পাওয়া যায়। এছাড়াও অনেক কারণে ডিমেনশিয়া হতে পারে।


স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা সমাজের বৃদ্ধ, বৃদ্ধাদের বিভিন্ন অসামর্থতা (উরংধনরষরঃু) এর জন্য বাসায় গিয়ে সেবা দান  করে আসছে। সংস্থাটি সম্প্রতি ডিমেনশিয়া সচেতনতা ক্যাম্পেইন এর কাজ করছে এবং ডিমেনশিয়ার উপর গবেষনার কাজ শুরু করেছে।

 

ডিমেনশিয়ার জন্য কেন সচেতনতা প্রয়োজন?  


ডিমেনশিয়া কতগুলো উপসর্গের সমষ্টি যেমন স্মৃতি শক্তি লোপ পাওয়া, বুদ্ধি, বিচার ক্ষমতা, পরি

Template Settings
Select color sample for all parameters
Orange Dark_Green Crimson Green_Yellow Indigo Maroon Medium_Violet_Red tomato
Background Color
Text Color
Select menu
Google Font
Body Font-size
Body Font-family
Direction
Background Color
Scroll to top